ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাজশাহী সীমান্তে ভারতীয় জেডি মদ জব্দ বড়পর্দায় ফেরার প্রস্তুতিতে মন্দিরা নাটোরে বাজারে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়েছিলেন হোমিও চিকিৎসক মিথ্যার ওপর ভিত্তি করে আমাকে তিনবার মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল: বাবর ‘মুরগি দেখানোর কথা বলে’ শিশুকে ঘরে নিয়ে যান সবুজ, অতঃপর... আশ্রয়ের আশা দিয়ে তরুণীর ‘সর্বনাশে’ সহযোগিতা করেন গৃহবধূ, অতঃপর... আজ যেমন থাকবে দেশের আবহাওয়া বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে রাজশাহীতে মাছ অবমুক্ত জন্মাষ্টমীর অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী পবার চক জামিরায় জেলা তথ্য অফিসের নারী সমাবেশ “দিনদুপুরে তিন বাড়িতে হানা, পুঠিয়ায় বাড়ছে চুরি-আতঙ্ক” নিয়ামতপুরে স্ত্রীকে বাঁচাতে গিয়ে প্রতিপক্ষের হামলায় প্রতিবন্ধী যুবকের মৃত্যু, আটক ৩ সিংড়ায় জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরুস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত রাণীশংকৈলে একই এলাকায় নদীতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু মোহনপুরে মাদরাসা প্রধানের নারীর সঙ্গে অন্তরঙ্গ ভিডিও ভাইরাল তানোরে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন রাণীশংকৈলে তীরনই নদীতে ডুবে দুই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু গুরুদাসপুরে মানবতার সেবায় রাশিদ-নিলু ফাউন্ডেশন ভারতের পর দুবাইয়ে হয়রানি, ইরানি মডেলকে ঘিরে রহস্য শালিনীর আপত্তিকর ভিডিও ফাঁস, তীব্র ক্ষোভ অভিনেত্রীর

টানা বৃষ্টিতে ভূমিধস, ১০ রোহিঙ্গার মৃত্যু

  • আপলোড সময় : ০৭-০৭-২০২৬ ০৭:১০:৪০ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৭-০৭-২০২৬ ০৭:১০:৪০ অপরাহ্ন
টানা বৃষ্টিতে ভূমিধস, ১০ রোহিঙ্গার মৃত্যু ছবি: সংগৃহীত
সাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপ এবং মৌসুমিবায়ুর প্রভাবে টানা বৃষ্টিতে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভূমিধসে ৪ থেকে ৭ জুলাই সকাল পর্যন্ত অন্তত ১০ রোহিঙ্গার মৃত্যু হয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দফতর এমন তথ্য জানিয়েছে।
 
এতে বলা হয়, টানা ভারি বৃষ্টি, আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে গত ৪ থেকে ৭ জুলাই সকাল পর্যন্ত অন্তত ১০ জন রোহিঙ্গা প্রাণ হারিয়েছেন। এছাড়া ১০ জন আহত হয়েছেন। প্রায় ১৫ হাজার ৮১৩ জন ক্ষতিগ্রস্ত এবং ৩ হাজার ১৮২ জন বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।
 
এ সময়ে ১৬০টি দুর্যোগজনিত ঘটনা ঘটেছে, যার মধ্যে ৫২টি ভূমিধস, ১৪টি বন্যা এবং ৮৩টি ঝড়ের ঘটনা রয়েছে। ১ হাজার ৬১৪টি আশ্রয় আংশিক এবং ১০টি আশ্রয় সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
 
এ অবস্থায় মানবিক সংস্থাগুলো জরুরি উদ্ধার, আশ্রয়, খাদ্য ও চিকিৎসা সহায়তা অব্যাহত রেখেছে। তবে আগামী ৪৮ ঘণ্টা ভারি বৃষ্টি অব্যাহত থাকার পূর্বাভাস থাকায় নতুন করে ভূমিধস ও বন্যার ঝুঁকি রয়ে গেছে।
 
কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক সৈয়দ মুহাম্মদ মোরশেদ হোসেন বলেন, ‘সব ক্যাম্প ইনচার্জকে নিয়ে আমরা প্রস্তুতিমূলক সভা করেছি। আমাদের কাছে থাকা সব প্রয়োজনীয় উদ্ধার সরঞ্জাম প্রস্তুত রাখা হয়েছে। যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত উদ্ধার ও সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনায় আমরা প্রস্তুত।’

তবে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশন বলছে, অর্থসংকটে ক্যাম্পের অনেক লার্নিং সেন্টার এখন আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মো. মিজানুর রহমান বলেন, ‘সাধারণত জরুরি পরিস্থিতিতে রোহিঙ্গাদের লার্নিং সেন্টার, বিভিন্ন বিতরণ কেন্দ্র, নারী ও শিশুদের জন্য নির্ধারিত নিরাপদ স্থান ব্যবহার করে নিরাপদে সরিয়ে নেয়া হয়। তবে অর্থসংকটের কারণে অনেক লার্নিং সেন্টারের অবস্থা এখন আর আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারের উপযোগী নেই। তাই ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার মানুষদের আত্মীয়-স্বজনের ঘরবাড়ি এবং বিভিন্ন কমিউনিটি স্পেসে সরিয়ে নেয়ার চেষ্টা চলছে।’

তিনি জানান, ক্যাম্প-৯, ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪ ও ১৫-এ ভূমিধস ও দুর্যোগের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি। এসব ক্যাম্পে প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার মানুষ ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন। পরিস্থিতি বিবেচনায় তাদের মধ্যে অন্তত ২০ থেকে ৩০ হাজার মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়ার চেষ্টা চলছে। এরই মধ্যে পাহাড় ধসের উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা ৪৮৯টি রোহিঙ্গা পরিবারকে অন্যত্র নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়া হয়েছে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : [email protected]

কমেন্ট বক্স
নগরীর সড়ক আইল্যান্ডে গাছের পরিচর্যা পরিদর্শনে রাসিক প্রশাসক

নগরীর সড়ক আইল্যান্ডে গাছের পরিচর্যা পরিদর্শনে রাসিক প্রশাসক